সরকারি হাসপাতালগুলোতে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা, পর্যাপ্ত জনবল ও অবকাঠামো থাকলেও সময়স্বল্পতা, সমন্বয়ের অভাব, ডোনার সংকট ও প্রশাসনিক জটিলতায় পিছিয়ে রয়েছে কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেবা। অন্যদিকে, দেশে এখন পর্যন্ত যত কিডনি প্রতিস্থাপন হয়েছে, তার প্রায় অর্ধেকই কোনো পারিশ্রমিক ছাড়া সম্পন্ন করে চিকিৎসার ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম।
তার মতে, বেসরকারি পরিসরে কাজ করলেও সরকারি হাসপাতালের কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট ব্যবস্থার দুর্বলতা ও নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সরকারি হাসপাতালে দক্ষ জনবল ও অবকাঠামোর অভাব নয়; বরং নির্ধারিত কর্মঘণ্টা, দীর্ঘ প্রস্তুতি–পর্ব, ডোনার সংকট এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তপ্রক্রিয়ার জটিলতা সরকারি ব্যবস্থাপনায় কিডনি প্রতিস্থাপনের গতি মন্থর হয়ে আছে।
দেশে সামগ্রিক কিডনি রোগ, প্রতিস্থাপনসহ নানা বিষয়ে সম্প্রতি থিম বিক্রয়-এর মুখোমুখি হন অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম। দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সরকারি হাসপাতালে ডিউটির সময় সাধারণত ৬ ঘণ্টার মতো ধরে সাজানো হলেও একটি কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পন্ন করতে ৭–৮ ঘণ্টা, অনেক ক্ষেত্রে ১২-১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগে। সময়ের এই ব্যবধানই সরকারি ব্যবস্থায় বড় সংকট তৈরি করছে।